Blog

যুব সমাজকে বাঁচাতে যা করণীয়

0

আমাদের তরুণ সমাজ দেশের জন্য সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত্। কিন্তু বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম ভয়াবহ রকমের মাদক ঝুঁকিতে রয়েছে। মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতার কারণে সহজেই তাদের হাতে মাদকদ্রব্য চলে আসছে। কৌতূহলবশত বা অসত্ সঙ্গে পড়ে বা হিরোইজম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তারা মাদক গ্রহণ করছে। এভাবে ধীরে ধীরে মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে নিজেদের জীবনকে ভয়ানক হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ প্রবণতা রোধ করা না গেলে একটি প্রজন্মের সব সম্ভাবনা ধূলিসাত্ হয়ে যাবে এবং দেশ মাথা তুলে দাঁড়াবার শক্তি হারিয়ে ফেলবে। তাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

Protection of rivers and implementation of PM’s plea

0

Once four thousand rivers flowed in Bangladesh. But at present, these rivers are about to extinct. Bangladesh is a riverine country. This distinctive feature is getting lost for the illegal grabbing of rivers. There are two types of river grabbing such as grabbing rivers by the land robbers who are making structures in the river and the other is throwing industrial wastes and related other wastes into rivers. For these reasons, our rivers are losing their navigability day by day. Moreover, our urban drainage system also does not work properly.

নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাক

0

এই ভূখণ্ডে এক সময় চার সহস্র নদ-নদী বয়ে যেত। বর্তমানে নদীর সংখ্যা বিলুপ্ত প্রায়। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী মাতৃকতা বিশেষণ হারিয়ে যেতে বসেছে নদী দখলের ফলে। নদী দখল দুইভাবে হচ্ছে :প্রথমত ভূমিদস্যুদের প্রকোপে নদী ভরাট করে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত বর্জ্য ও শিল্প বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে নদীতে ফেলে নদ-নদী ভরাট করা হচ্ছে। এতে নদীর নাব্যতা নষ্ট হচ্ছে, শহরাঞ্চলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে না। বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করছে। নদী দখল কৃষির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের সুজলা-সুফলা রূপ ক্রমাগত হারিয়ে যেতে বসেছে নদী দখল ও দূষণের ফলে।

নদী বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কার্যকর করতে হবে

0

এই ভূ-খণ্ডে এক সময় চার সহস্র নদ-নদী বয়ে যেত। বর্তমানে নদীর সংখ্যা এবং বহু নদীর অবস্থান বিলুপ্তপ্রায়। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী মাতৃকতা বিশেষণ হারিয়ে যেতে বসেছে মূলত নদী দখলের ফলে। নদী দখল দুইভাবে হচ্ছে : প্রথমত. ভূমিদস্যুদের প্রকোপে নদী ভরাট করে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত. বর্জ্য ও শিল্প বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে নদীতে ফেলে নদ-নদী ভরাট করা হচ্ছে। এতে নদীর নাব্য নষ্ট হচ্ছে, শহরাঞ্চলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে না। বৃষ্টি ও অতি বৃষ্টিতে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করছে। নদী দখল কৃষির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের সুজলা সুফলা রূপ ক্রমাগত হারিয়ে যেতে বসেছে নদী দখল ও দূষণের ফলে।

ভেজাল খাদ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

0

মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল হলো খাদ্য। সংবিধানের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে খাদ্যকে মৌলিক উপকরণ ও ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে খাদ্যকে জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু খাদ্যে ভেজালের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গেছে যে, তৈরি অথবা কাঁচা খাদ্য কোনোটির ওপরই মানুষ আর আস্থা রাখতে পারছে না। সমগ্র বিশ্বেই খাদ্যে ভেজালের প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই প্রবণতা অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার এক গবেষণায় দেখা গেছে ক্যান্সারসহ অন্যান্য প্রাণঘাতী অসুখের অন্যতম কারণ হচ্ছে ভেজাল খাদ্য। ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে মানবদেহে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন অনিরাময়যোগ্য রোগ। এসব জটিল ও অনিরাময়যোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। একশ্রেণির মানুষের অতি মুনাফা ও লোভের কারণেই দিনে দিনে আমরা মৃত্যু ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তাই নিরাপদ খাদ্যের অধিকার ভোক্তাদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, সরকারের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউটের (আইপিএইচ) ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দৈনন্দিন খাদ্যদ্রব্যে মারাত্মক রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সারাদেশ থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যে কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করছে।

Aspects of applying consumer rights protection law

0

The Consumer Rights Protection Act-2009 is an important law for the consumers of our country. The number of consumers is the same as the total population of Bangladesh (16.43 crore). Not only that, those children who are still in mothers’ womb are also considered as consumers. At present, the total number of pregnant women is thirty-five lakh and, thus, if this number is added to the total population, the new number of consumers stands at 16.58 crore. Those who sell only one product are also consumers because they not only sell a product but also buy one or more products. So, all the people of Bangladesh have an inseparable connection with consumer rights. Hence, it is very important for us to be aware of the consumer rights and applying the same.

Different aspects of applying consumer rights protection law

0
Consumer

The Consumer Rights Protection Law-2019 is an important law for the consumers of our country. The numbers of consumers are the same as the total population of Bangladesh calculating sixteen crores twenty three lakhs. Not only that those children who are still in mothers’ womb are also included as consumers. At present, the total numbers of pregnant women are thirty-five lakhs and, thus, if this number is added to the total number of population, the new numbers of consumers are sixteen crores and fifty-eight lakhs. Those who sell only one product are also consumers because they not only sell a product but also buy one or more products. So, all the people of Bangladesh have a good connection to consumer rights. In this case, it is very important for us to be aware about the consumer rights and applying consumer rights law.   

ভারতের এমটিসি গ্লোবাল এওয়ার্ড ২০১৮ তে ভূষিত হলেন প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা

0

গত শনিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং তারিখ সকাল ৮:০০ টায় ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর হোটেল ফরচুন সিলেক্ট ট্রিনিটিতে শুরু হয়েছে অষ্টম ওয়ার্ল্ড এডুকেশন সামিট ২০১৮। ওয়ার্ল্ড এডুকেশন সামিট ২০১৮ তে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে এওয়ার্ড বিতরণ পর্বে উচ্চশিক্ষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশের উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা কে এমটিসি গ্লোবাল এওয়ার্ড প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন এমটিসি গ্লোবাল এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি প্রফেসর ভোলানাথ দত্ত।

 

চাই ভোক্তা অধিকার আইনের প্রয়োগ ও গণসচেতনতা

0

বাংলাদেশে অধিকাংশ লোকের আয় সীমিত। যথার্থ হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে তাদের জীবন চলে। এই সীমিত আয়ের সাহায্যে ক্রেতা যখন মানসম্মত দ্রব্যাদি ক্রয় করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয় তখন জীবন পরিচালনা কষ্টকর হয়ে পড়ে। পণ্যসামগ্রীর ক্ষেত্রে প্রতারণা এমন একটি জটিল সমস্যা যা সাধারণ মানুষকে অর্থাত্ ভোক্তা বা ক্রেতাদেরকে দারুণ সংকটে নিপাতিত করে এবং অনেক সময় জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ভোক্তা ক্রয়কৃত সামগ্রী ভোগ করে অর্থাত্ সে উপভোগকারী। কিন্তু এ উপভোগ করতে গিয়ে প্রায়শই দেখা যায় সে তা বিভিন্ন কারণে উপভোগ করতে পারছে না। যেমন: পণ্য উত্পাদন ও চাহিদার মধ্যে যখন কোনো প্রকার অসামঞ্জস্য ঘটে তখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

0
ঈদ বা বন্যা ইত্যাদি কোনো না কোনো ইস্যু সামনে রেখে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। বেশ কিছুদিন থেকে চালের বাজার অস্থির রেখে সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট চক্র দেদারসে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এ নিয়ে সরকার কঠোর হয়ে নানা ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বাগে আনতে পারছে না মুনাফালোভী চাল ব্যবসায়ীদের। এখনো আগের চেয়ে বাড়তি দামে চাল কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ঈদের সময় লবণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চলেছে। ঊর্ধ্বমুখী জিরা, এলাচসহ রান্নার অন্যান্য মসলার দামও। সয়াবিন তেলের দামও আগের চেয়ে বেড়েছে। এর পাশাপাশি সব ধরনের সবজি ও মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে সংকট বা ঘাটতি না থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা এ অপকর্ম অব্যাহতভাবে করে চলেছে।

Popular Posts