Blog Page 3

ক্যান্সার সচেতনতা নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ

0
চি কিত্সাবিজ্ঞান বিশ্বব্যাপী অনেকদূর এগোলেও অনেক রোগই এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার আতঙ্কজনক একটি রোগ হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে স্তন ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে জানা যায়, স্তন ক্যান্সারে বছরে নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার প্রায় সমান। বাংলাদেশে প্রতি বছর স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১৪ হাজার ৮৩৬ জন নারী, যার মধ্যে বছরে মারা যান ৭ হাজার ১৪২ জন। নারী ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ২৩.৯% ও ১৬.৯%। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার এর তথ্যমতে, (দেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৪ লাখ ৮ হাজার ধরে) প্রতিবছর মোট এক লাখ ২২ হাজার ৭০০ জন নতুন করে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে মারা যান ৯১ হাজার ৩০০ জন।

নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ান

0

বাংলাদেশের উন্নয়নে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও আজ সমান তালে অবদান রাখছে। বিভিন্ন পেশায় নারীরা তাদের দক্ষতা প্রমাণ করছে। সরকারও নারীসমাজকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। এই পরিস্থিতিতে নারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা না পেলে তাদের এগিয়ে চলার পথ যেমন রুদ্ধ হবে, তেমনি সরকারের পদক্ষেপও ব্যাহত হবে। সরকার যেভাবে সর্বস্তরে নারীদের এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে তার জন্য চাই সমাজ ও রাষ্ট্রের সব স্তরের সহযোগিতা। আর এই সহযোগিতার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল পদে থেকে যাঁরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। তাহলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের স্বপ্ন পূরণ হবে।বাংলাদেশে নারীসমাজের উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নারীশিক্ষা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও তাঁর যে পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ, তা বাংলাদেশের নারীকুলকে আশান্বিত করে। ধর্মীয় কূপমণ্ডূকতার সঙ্গে লড়াই করে বা ধর্মের নামে উগ্র চেতনাকে অগ্রাহ্য করে বাংলাদেশের নারীরা গত কয়েক বছরে যে পর্যায়ে নিজেদের নিয়ে গেছে, তা কিন্তু রাষ্ট্রের সমর্থন ও সাহসিকতার কারণে সম্ভব হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি এ ক্ষেত্র তৈরির জন্য দেশের নারী সংগঠনগুলোর ভূমিকাকেও খাটো করে দেখা যাবে না। 

অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর

0
‘পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’ -নারী ও পুরুষকে এভাবেই দেখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ইসলাম ধর্মসহ প্রায় সব ধর্মেই নারীকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নারী হলেন মায়ের জাতি। যে মায়ের গর্ভ থেকে আমাদের জন্ম সে মায়ের জাতিকে  যদি মর্যাদা না দেয়া হয় তাহলে তা কলঙ্কজনক। কোন সমাজ ও রাষ্ট্র কতটা সভ্য বা উদার তা নির্ভর করে সেখানকার নারীদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অবস্থানের উপর।

নারী নির্যাতন বন্ধে চাই সামাজিক আন্দোলন

0

‘পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’—নারী ও পুরুষকে এভাবেই দেখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ইসলাম ধর্মসহ প্রায় সব ধর্মেই নারীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নারী মায়ের জাতি। যে মায়ের গর্ভ থেকে আমাদের জন্ম সে মায়ের জাতিকে যদি মর্যাদা না দেওয়া হয় তাহলে তা কলঙ্কজনক। কোন সমাজ ও রাষ্ট্র কতটা সভ্য বা উদার তা নির্ভর করে সেখানকার নারীদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অবস্থানের ওপর।  

শিশুর জন্য চাই নিরাপদ পৃথিবী

0
বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। শিশু নির্যাতনের কিছু ঘটনা জনসমক্ষে আসছে আবার অনেক ঘটনা অন্তরালেই থেকে যাচ্ছে। গত ১৮ অক্টোবর দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার সিঙ্গিমারী জমিরহাট এলাকায় পাঁচ বছরের একটি শিশু মানুষরূপী দানব কর্তৃক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। সাইফুল নামের এক নরপশু পাঁচ বছরের অবুঝ নিষ্পাপ এই শিশুটিকে ধর্ষণ ও লোমহর্ষকভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছে। এ শিশুটিকে এমনভাবে নির্যাতন করা হয়েছে যা সভ্য সমাজের বাসিন্দাদের পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। শিশুটির প্রতি সান্ত্বনা জানানোর ভাষাও আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এমন ঘটনায় নির্বাক হয়ে আমরা শুধু অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

নজরদারির সঙ্গে চাই সামাজিক প্রতিরোধ

0
সারাবিশ্বের পাশাপাশি উগ্র জঙ্গিবাদী সন্ত্রাস বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক যে উগ্রবাদী হামলা ঘটছে তা মানুষকে অসহায় করে তুলছে। মানুষ এর সুরাহা চায়। এ থেকে মুক্তি চায়। সে জন্য সরকার যে পদক্ষেপ নেবে তাতে কারো আপত্তি থাকবে বলে মনে হয় না। বর্তমান পরিস্থিতিতে কঠোর নজরদারি এবং সামাজিক প্রতিরোধই পারে জঙ্গি ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে। বর্তমান সরকার জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে নানা পদক্ষেপ অব্যাহত রাখলেও সংকট পিছু ছাড়েনি। গত ১ জুলাই শুক্রবার গুলশানের হোটেল আর্টিজানে এবং ঈদুল ফিতরের দিন (০৭ জুলাই) শোলাকিয়ায় ঈদগাহ ময়দানের পাশে জঙ্গিগোষ্ঠী কর্তৃক ইতিহাসের যে ঘৃণ্য ঘটনা ঘটেছে তা পুরো জাতিকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। শুধু বাঙালিরা নয়, সারা বিশ্ব এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে। বাংলাদেশের মতো একটি দেশে এ ধরনের ঘটনা বিশ্ববাসীকে নতুন বার্তা দিয়ে গেলো। তবে আশার কথা হলো সরকার বিষয়গুলোকে যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করছে এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অকুতোভয় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

দায়িত্বশীল সরকার ও তার সিদ্ধান্ত

0
বর্তমান সরকার পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতিসহ দেশের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো জোরদারে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণকে অধিকতর শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সরকার এ দেশের উন্নয়নের গতিকে আরো ত্বরান্বিত করতে চায়। কিন্তু সরকারের একার পক্ষে এটা সম্ভব নয়। প্রয়োজন জনগণের সহযোগিতার।

ইয়াসমিন আরা লেখা : এক অনন্য সাহিত্য বিশ্লেষক

0

ড. ইয়াসমিন আরা লেখা শিক্ষাবিদ, ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিত। তিনি একাধিক গ্রন্থের সম্পাদক ও লেখক। তাঁর উত্সাহ ও ঔত্সুক্যের বিষয় বিচিত্র। তিনি শিক্ষা, শিক্ষাদান পদ্ধতি নিয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন; আবার জাতীয় পত্রিকায় সমকালীন বিষয় নিয়ে কলাম লিখে পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। পাঠের বৈচিত্র্য ও লেখনীর সাবলীলতায় তাঁর প্রকাশ দক্ষতা অনন্য। বাংলাদেশের সাহিত্যের সামগ্রিক, যুক্তিগ্রাহ্য ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করেছেন তিনি। শিল্প-সাহিত্যের আনন্দ ও সৌন্দর্যকে সম্যক অনুধাবন করার ক্ষমতা তাঁর আছে।

ষোলোতে বিয়ে :পরিকল্পনা ও বাস্তবতা

0
বিশ্বের ৬শ’ ৫৪ কোটি মানুষের অর্ধেকের বেশি নারী। বাংলাদেশের চিত্রও অভিন্ন। ১৬ কোটি মানুষের মাঝে নারীর সংখ্যা অর্ধেক। এ অবস্থায় নারীর ক্ষমতায়ন ও তার সক্ষমতা প্রমাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু সম্প্রতি মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে সরকারের নানা অংশ থেকে যে আলোচনা হচ্ছে তা বিবেকবান ও সচেতন মানুষের মাঝে শঙ্কা সৃষ্টি করছে।

বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদের উত্থান ও বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স

0

অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা : সারাবিশ্ব উগ্র জঙ্গিবাদের থাবায় ক্ষতবিক্ষত হওয়ার কারণে বর্তমানে জঙ্গিবাদ পৃথিবীব্যাপী একটি বড় সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের উন্নত এবং ক্ষমতাবান দেশগুলোকে জঙ্গিবাদের আতঙ্ক রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বৃহৎ পরাশক্তিগুলো জঙ্গিবাদী বা উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মোকাবিলায় তৎপর হলেও ফ্রান্সের মতো একটি রাষ্ট্রে যখন উগ্রগোষ্ঠী নির্বিচারে হামলা চালায়, তখন আঁতকে উঠতে হয় পুরো বিশ্বকে। যখন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার টার্গেটে থাকে, তখন আমাদের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের অধিবাসীরাও কমবেশি আতঙ্কগ্রস্ত হন। তবে বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদের যে ভীতি ঘরে ঘরে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, বাংলাদেশ বোধহয় তার চেয়ে কিছুটা নির্ভার। এক্ষেত্রে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ জনগণকে আশ্বস্ত করেছে।

Popular Posts