Yearly Archives: 2015

অটিজম: চাই সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ

0
শারীরিক প্রতিবন্ধী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিষয়ে আমরা কিছুটা অবগত হলেও ‘অটিজম’ (Autism) শব্দটির সাথে আমরা খুব বেশি পরিচিত নই। ছোট এই শব্দটির গভীরতা এত বেশি যার ব্যাপকতা সম্পর্কে আমাদের জানা অত্যন্ত জরুরি।
অটিজম মস্তিষ্কের একটি স্নায়ুবিক সমস্যা যা মস্তিষ্কের সাধারণ কর্মক্ষমতাকে ব্যাহত করে। অটিজম শব্দটির বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় নিজের মধ্যে মগ্ন থাকা। অটিজম শিশুরা একা একা  নিজের মনে, নিজের জগতে বিচরণ করে। তারা কারও সাথে কথা বলে না, তাদের চাহনি কিছুটা অস্বাভাবিক ও অন্যের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে না। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেয় না,  নিজের  চাওয়া পাওয়া নিয়ে কারও সাথে আলোচনা  করে না, মাকে জড়িয়ে ধরে না কিন্তু যে কাজগুলো করে তা বার বার করতে থাকে। অর্থাত্ পুনরাবৃত্তিমূলক  আচরণ করে। এছাড়া অতি চাঞ্চল্য (Hiper Activity), জেদি ও আক্রমণাত্মক (Aggressiveness)  আচরণ, অহেতুক ভয়ভীতি, খিঁচুনি  ইত্যাদিও এসব শিশুদের মধ্যে থাকতে পারে। এই শিশুদের বিশেষ কিছুর প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ লক্ষ্য করা যায় যেমন- কাগজ  ছেঁড়া, পানি বা তরল পদার্থ দিয়ে খেলা, চাল, ডাল দানাদার কিছু দিয়ে খেলা আলোতে চোখ বন্ধ করা, শব্দ শুনলে  কানে হাত দেয়া, দুর্গন্ধে কোন প্রতিক্রিয়া না করা, স্বাদ ও  স্পর্শে তেমন  অভিব্যক্তি প্রকাশ  না করা ইত্যাদি। শিশুর জন্মের তিন বছরের মধ্যেই অটিজম শিশুদের উল্লেখিত লক্ষণের কোন না কোনটি প্রকাশ পায়। অনেক ক্ষেত্রে আঠার মাস বা জন্মের পর থেকেই শিশুর আচরণ অস্বাভাবিক মনে  হতে পারে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও,

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

সতীর্থবান্ধব শিক্ষা

0

আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় তিনটি দল জড়িত। দলগুলো হচ্ছে- শিক্ষক, ছাত্র ও সমাজ।

আনুষ্ঠানিক শিক্ষা দুইভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যথা- মুখোমুখি শিক্ষা ও দূরশিক্ষা। শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকাই অনন্য। তবে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে অগ্রসর শিক্ষার্থীরাও শিক্ষাদানের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ যে বা যারা শিক্ষা গ্রহণ করছে তারা জড়বস্তু নয়। তাদের আছে মন-মনন, অভিরুচি, ভাবাবেগ ইত্যাদি। তাই শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে সমমনা সহপাঠীদের অবদান কাজে লাগানো যেতে পারে। অর্থাৎ শ্রেণির অগ্রসর ছেলেটি অনগ্রসর ছেলের শিক্ষায় অবদান রাখতে পারে। তা ছাড়া শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্ররা সব সময় একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলে। কিন্তু অগ্রসর ছেলেটির সঙ্গে অনগ্রসর ছেলেটি অনেকাংশেই একাত্ম। এ ধারণা থেকেই অগ্রসর ছেলে অনগ্রসর ছেলের শিক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর ফলে অগ্রসর ছেলেটিও লাভবান হয়। কারণ এ কাজের ফলে তার আত্মবিশ্বাসসহ অন্যান্য গুণের বিকাশ হয়।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক

0
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির নাম মালয়েশিয়া। দেশটি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় রাষ্ট্র। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কৃষি নির্ভর মালয়েশিয়া পরিণত হয় একটি শিল্পসমৃদ্ধ অর্থনীতিতে। প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ছিল স্বাধীনতা-উত্তর মালয়েশিয়ার মূল দর্শন। মালয়েশিয়ার দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা ও উন্নত উন্নয়ন পরিকল্পনা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২০ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে মালয়েশিয়া। উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র হিসাবে মালয়েশিয়াসহ অন্য বন্ধু রাষ্ট্র পাশে থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে বাংলাদেশকে বেগ পেতে হবে না এমনটাই আশা বিশ্লেষকদের।

Popular Posts