SHARE

প্রফেসর ডক্টর ইয়াসমীন আরা লেখা : একজন বঙ্গনারী সকল বৈশিষ্ট্যের অধিকারিণী পরিপূর্ণ মানুষ। নম্রভাষী, বিনয়ী আচরণ, মানুষের প্রতি স্নেহ ভালোবাসায় পরিপূর্ণ, মানুষকে আপন করে নেওয়ার এক অপূর্ব ক্ষমতা আমি যার মাঝে দেখেছি, তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ৬৯ বছরে পদার্পণ করেছেন। সমসাময়িক রাজনীতিতে এই মানুষটি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অহোরাত্রি যে পরিশ্রম করছেন, তা অতুলনীয়। শেখ হাসিনার শাসনামলে আন্তর্জাতিক মহলে যে উচ্চাসনে বাংলাদেশ আসীন হয়েছে, তাঁর জন্য শুভ জন্মজয়ন্তী বললে জাতিই সম্মানিত হবে। এই লেখার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
বাংলাদেশের ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। আমি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর তনয়া শেখ হাসিনার জেলা গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করায় নিজেকে ধন্য ও গৌরবান্বিত মনে করি। তাঁর দাদা ও দাদীর স্নেহ-আশীর্বাদ নিয়ে তাঁর জীবন শুরু হয়। দাদা তাঁর নাম রাখেন ‘হাসিনা’। মা তাকে বুকের ভেতর মমতায় জড়িয়ে রাখতেন। জন্মের খবর পেয়ে পিতা মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে ‘হাসুুমণি’ ডেকে আনন্দ প্রকাশ করে কপালে চুম্বন এঁকে দিলেন। সেদিনই তাঁর ভাগ্যের লিখন তৈরি হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুর সেই আদরের নয়নমণি ছোট্ট হাসুুমণি দিনে দিনে বড় হয়ে বাংলাদেশের জনগণের প্রিয় নেত্রী হয়ে উঠলেন এবং ধীরে ধীরে বিশ্বনেত্রীর মর্যাদায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। বাঙালির এই মহীয়সী নারীর জীবনে যেমন রয়েছে পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ব্যাপক প্রভাব, তেমনি দেশের আপামর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস, ভালোবাসা ও আশীর্বাদে তিনি অসংখ্য বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন। সেজন্যই বোধহয় পিতা বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও নির্দ্বিধায় বলতে পারেন, দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে সবসময় প্রস্তুত তিনি। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চান।
৬৯ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বিগত প্রায় ৩৫ বছর, অর্থাৎ, জীবনের অর্ধেকেরও বেশি সময় যাবৎ দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যেমন ভূমিকা রেখেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছেন। বাঙালির ভোট ও ভাতের অধিকার সংরক্ষণে শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করেছেন। সেই সংগ্রামের জন্য তিনি যেমন জাতির কাছে প্রাতঃস্মরণীয়, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বর্তমানে যে ক’জন জননেতা বা রাষ্ট্রনায়ক সবচেয়ে বেশি সক্রিয় শেখ হাসিনা তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ক্ষুধা ও দারিদ্র্য নিরসনের তাগিদ শেখ হাসিনাই দিয়েছেন বারবার। তবে দুঃসাহসী শেখ হাসিনাকে শতাধিক হামলা-মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১৯ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। তার মধ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা উল্লেখযোগ্য। এই হামলায় তিনি সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে প্রাণে বেঁচে গেলেও তাঁর শ্রবণেন্দ্রিয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে কোনো হামলা-মামলাই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বরং হামলা-মামলা শেখ হাসিনাকে আরো সাহসী ও জনমুখী করে তুলেছে। ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনিই দলীয় প্রধানের পদে থেকে প্রায় ৩৫ বছর ধরে নিজ রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অসাম্প্র্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূলধারার প্রধান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
স্বাধীন বাংলাদেশের ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে সবসময় নিবেদিত থেকেছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য-প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, অবকাঠামোসহ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের যে অবদান, তা আজ জাতির কাছে দৃশ্যমান। সামরিক স্বৈরশাসনামলে বেশ কয়েকবার তাকে কারানির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বার বার তাঁর জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে অবিচল
থেকেছেন। পেয়েছেন সাফল্যে ভরা
জীবন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন, ছাত্রলীগের অন্যতম নেত্রীও ছিলেন তিনি। ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে সবার বড় শেখ হাসিনা গ্রামবাংলার ধুলোমাটি আর সাধারণ মানুষের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন। মধুমতি বিধৌত গোপালগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত পাড়াগাঁ টুঙ্গিপাড়ায় কেটেছে তাঁর শৈশব। শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। ঢাকায় এসে ১৯৬৫ সালে আজিমপুর গার্লস স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন শেখ হাসিনা। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ঢাকার বকশী বাজারের তৎকালীন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট শেখ হাসিনা কলেজে পড়ার সময়ে কলেজ ছাত্রী সংসদের সহ-সভানেত্রী পদে নির্বাচিত হন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে দীর্ঘ ৯ মাস গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারকে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগসহ সমমনা রাজনৈতিক জোট ও দলগুলো ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিজয়ী হয়। ১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বেই তৎকালীন বিএনপি সরকারের পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিজয় অর্জন করে আওয়ামী লীগ। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রধান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্ব^য়ে প্রথমে ১৪ দলীয় জোট এবং পরে মহাজোট গড়ে ওঠে। এই জোটের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২২ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করে ড. ফখরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার হন শেখ হাসিনা। ওই সময় সংসদ ভবন চত্বরের বিশেষ কারাগারে দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস বন্দি ছিলেন তিনি। গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে এর আগেও কয়েক দফা গৃহবন্দি হয়েছিলেন তিনি। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এটিই ছিল দীর্ঘ কারাবাসের ঘটনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত ৩ মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটি। ওই বছরের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ২৩ জুন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠিত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরপর দ্বিতীয় মেয়াদের মহাজোট সরকার গঠিত হয়। এছাড়া ১৯৮৬ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম সংসদে মোট ৩ দফা বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ হাসিনা। গণতন্ত্র এবং দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা। ১৯৯৬-২০০১ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি তাঁর সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে তিনি শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক ও পুরস্কারে। সর্বশেষ পেয়েছেন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার এবং একবিংশ শতাব্দীর অভিযাত্রায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) পক্ষ থেকে আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শেখ হাসিনা। এই অভিযাত্রায় তিনি বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং ভরসাস্থল। বাঙালির এই মহীয়সী নারীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাঁর জীবন দীর্ঘায়ু হোক। তিনি দীর্ঘায়ু হলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ চিরজীবী হবে। গণতন্ত্র বিকশিত হবে। মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মহলে আজ বাংলাদেশের যে সম্মান ও ভাবমূর্তি তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু খুব জরুরি। তাঁর পিতা দেশ স্বাধীন করে দিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বের বুকে এক অসীম উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তিনি দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে, বিদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে ও আহ্বান জানিয়ে নিজেকে এক অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আসুন, আমরা সবাই মিলে তাঁর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, সৃষ্টিকর্তা যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার চূড়ান্ত পথে এগিয়ে দেন।
লেখক : উপ-উপাচার্য
উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

Print Friendly, PDF & Email