Monthly Archives: September 2015

গৌরবের যত অর্জন

0
জলবায়ুর পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বে একটি মারাত্মক হুমকিরূপে আবির্ভূত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশসহ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। উন্নত বিশ্বের শিল্প কারখানার কারণে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা। গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ায় বাতাসে সীসার মাত্রা বেড়ে যাওয়া, সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির লেভেল ক্রমশ নিচে নেমে যাওয়াসহ ওজন স্তর ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়েই দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ছে। ভূমিকম্প, ভূমিধস, খরা-বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হচ্ছে মানুষ। উন্নত বিশ্বের শিল্পমুখীতার প্রভাবে এসব দুর্যোগের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বিষয়টি ব্যাপক গুরুত্ব পায়। পর পর কয়েকটি জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের, আরও স্পষ্ট করে বললে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসব সম্মেলনে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

অটিজম: চাই সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ

0
শারীরিক প্রতিবন্ধী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিষয়ে আমরা কিছুটা অবগত হলেও ‘অটিজম’ (Autism) শব্দটির সাথে আমরা খুব বেশি পরিচিত নই। ছোট এই শব্দটির গভীরতা এত বেশি যার ব্যাপকতা সম্পর্কে আমাদের জানা অত্যন্ত জরুরি।
অটিজম মস্তিষ্কের একটি স্নায়ুবিক সমস্যা যা মস্তিষ্কের সাধারণ কর্মক্ষমতাকে ব্যাহত করে। অটিজম শব্দটির বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় নিজের মধ্যে মগ্ন থাকা। অটিজম শিশুরা একা একা  নিজের মনে, নিজের জগতে বিচরণ করে। তারা কারও সাথে কথা বলে না, তাদের চাহনি কিছুটা অস্বাভাবিক ও অন্যের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে না। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেয় না,  নিজের  চাওয়া পাওয়া নিয়ে কারও সাথে আলোচনা  করে না, মাকে জড়িয়ে ধরে না কিন্তু যে কাজগুলো করে তা বার বার করতে থাকে। অর্থাত্ পুনরাবৃত্তিমূলক  আচরণ করে। এছাড়া অতি চাঞ্চল্য (Hiper Activity), জেদি ও আক্রমণাত্মক (Aggressiveness)  আচরণ, অহেতুক ভয়ভীতি, খিঁচুনি  ইত্যাদিও এসব শিশুদের মধ্যে থাকতে পারে। এই শিশুদের বিশেষ কিছুর প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ লক্ষ্য করা যায় যেমন- কাগজ  ছেঁড়া, পানি বা তরল পদার্থ দিয়ে খেলা, চাল, ডাল দানাদার কিছু দিয়ে খেলা আলোতে চোখ বন্ধ করা, শব্দ শুনলে  কানে হাত দেয়া, দুর্গন্ধে কোন প্রতিক্রিয়া না করা, স্বাদ ও  স্পর্শে তেমন  অভিব্যক্তি প্রকাশ  না করা ইত্যাদি। শিশুর জন্মের তিন বছরের মধ্যেই অটিজম শিশুদের উল্লেখিত লক্ষণের কোন না কোনটি প্রকাশ পায়। অনেক ক্ষেত্রে আঠার মাস বা জন্মের পর থেকেই শিশুর আচরণ অস্বাভাবিক মনে  হতে পারে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও,

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষায় সচেতন হতে হবে জনগণকেও

0

শিশুদের শিক্ষার ভিত রচনা করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা। এ স্তর থেকে ভিত্তি শক্তিশালী করে শিশুরা অন্যান্য স্তরে প্রবেশ করে। সম্প্রতি শিক্ষার ভিত রচনাকারী দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানাধরণের নেতিবাচক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যালয় দখল করে মাজার গড়ে উঠেছে, কোথাও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ভাগাড় ও হাঁটবাজার গড়ে উঠেছে এবং অনেক বিদ্যালয়ের সামনে হাঁস-মুরগির বাজার থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে দরজা জানালা নেই। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশার চিত্র আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত সুনাগরিক গড়ে ওঠার কথা সেখানে এতো সমস্যা থাকলে লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে সেটা নিশ্চিত। আর লেখাপড়া বিঘ্নিত হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজš§ কতটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। কিন্তু একশ্রেণীর মানুষ শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। জাতির ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুষ্টচক্রকে এখনই রুখতে হবে ।

Recent News

Popular Posts