Monthly Archives: January 2015

সতীর্থবান্ধব শিক্ষা

0

আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় তিনটি দল জড়িত। দলগুলো হচ্ছে- শিক্ষক, ছাত্র ও সমাজ।

আনুষ্ঠানিক শিক্ষা দুইভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যথা- মুখোমুখি শিক্ষা ও দূরশিক্ষা। শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকাই অনন্য। তবে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে অগ্রসর শিক্ষার্থীরাও শিক্ষাদানের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ যে বা যারা শিক্ষা গ্রহণ করছে তারা জড়বস্তু নয়। তাদের আছে মন-মনন, অভিরুচি, ভাবাবেগ ইত্যাদি। তাই শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে সমমনা সহপাঠীদের অবদান কাজে লাগানো যেতে পারে। অর্থাৎ শ্রেণির অগ্রসর ছেলেটি অনগ্রসর ছেলের শিক্ষায় অবদান রাখতে পারে। তা ছাড়া শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্ররা সব সময় একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলে। কিন্তু অগ্রসর ছেলেটির সঙ্গে অনগ্রসর ছেলেটি অনেকাংশেই একাত্ম। এ ধারণা থেকেই অগ্রসর ছেলে অনগ্রসর ছেলের শিক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর ফলে অগ্রসর ছেলেটিও লাভবান হয়। কারণ এ কাজের ফলে তার আত্মবিশ্বাসসহ অন্যান্য গুণের বিকাশ হয়।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক

0
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির নাম মালয়েশিয়া। দেশটি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় রাষ্ট্র। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কৃষি নির্ভর মালয়েশিয়া পরিণত হয় একটি শিল্পসমৃদ্ধ অর্থনীতিতে। প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ছিল স্বাধীনতা-উত্তর মালয়েশিয়ার মূল দর্শন। মালয়েশিয়ার দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা ও উন্নত উন্নয়ন পরিকল্পনা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২০ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে মালয়েশিয়া। উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র হিসাবে মালয়েশিয়াসহ অন্য বন্ধু রাষ্ট্র পাশে থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে বাংলাদেশকে বেগ পেতে হবে না এমনটাই আশা বিশ্লেষকদের।

Recent News

Popular Posts