Yearly Archives: 2014

গ্রামীণ জনপদে প্রযুক্তির আলো

0
প্রতিদিন সংবাদপত্র কিংবা প্রচার মাধ্যমগুলোতে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক অনেক সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। এসব সংবাদ আমাদের জন্যে আনন্দদায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষের জীবন পাল্টে গিয়েছে প্রযুক্তির ছোঁয়ায়। প্রযুক্তির কল্যাণে গ্রামীণ জনপদের মানুষগুলোর জীবনে তাত্পর্যপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে এবং তাদের প্রাত্যহিক জীবনেও এ পরিবর্তনের প্রভাব লক্ষণীয়। মা গ্রামে বসে তার প্রবাসী ছেলে বা মেয়ের সঙ্গে স্কাইপেতে কথা বলেছেন। স্ত্রী তার প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে বা স্বামীটি তার স্ত্রী সন্তানদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং সবার সচিত্র ছবি দেখে মন ভরাতে পারছেন। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বা তথ্য সেবাকেন্দ্রের বদৌলতে এ দৃশ্য এখন দেশের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে প্রতিনিয়তই দেখা যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও প্রযুক্তি সম্পর্কে গ্রামের যে মানুষগুলো বিশেষ কিছু জানতো না তারাও এখন প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন হয়ে উঠেছে এসব সেন্টারের কল্যাণে। শিল্পের প্রসার হয় জীবনের প্রয়োজনে তারই সুফল এখন পাওয়া যাচ্ছে গ্রামীণ জনপদে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

0
এক রাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। দুটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে এটাকে আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলতে পারি। দীর্ঘস্থায়ী এবং সুদৃঢ় সম্পর্ক দুটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। বাণিজ্য, সুশাসন, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, শিক্ষা এবং সংস্কৃতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশ সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সাথে বৈরিতা নয় এই নীতি অনুসরণ করে বৈদেশিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। বন্ধু রাষ্ট্রের তালিকা দিন দিন আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা, বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গঠনে বন্ধুপ্রতিম উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশসমূহের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। সমসাময়িক সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর অত্যন্ত সফল ও তাত্পর্যপূর্ণ।  বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সম্পর্কের উন্নয়ন বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে অর্থনীতির উন্নয়ন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার কথা।

বৈদেশিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

0

এক রাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে এটাকে আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বলতে পারি।

দীর্ঘস্থায়ী ও সুদৃঢ় সম্পর্ক দুটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। বাণিজ্য, সুশাসন, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই নীতি অনুসরণ করে বৈদেশিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। বন্ধু রাষ্ট্রের তালিকা দিন দিন আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে।

ভাবী নাগরিক বিনির্মাণে করণীয়

0
বীজ থেকে যেমন গাছের সৃষ্টি হয় তেমনি ভ্রূণ থেকে মানব শিশুর সূচনা হয়। সৃষ্টির সব জীবই কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় পৃথিবীর আলো বাতাসের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠে। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হলেও সে সবচেয়ে বেশি অসহায়ত্ব নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। অন্যের অবলম্বন ব্যতিরেকে সে নিজেকে পৃথিবীতে বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে না। পরম মমতা ও যত্নে একটি শিশুকে ধীরে ধীরে বড় করে তুলতে হয়। উপযুক্ত যত্ন ও পরিচর্যাতেই তার যথাযথ বিকাশ ঘটে। শিক্ষাবিদ ফ্রয়েবল শিশুদের চারা গাছের সাথে তুলনা করে চারা রূপ শিশুকে পরিচর্যা করার জন্যে শিক্ষক এবং মা-বাবাকে মালীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে বলেছেন। সত্যিই যদি একটি চারা গাছকে ঠিকভাবে পরিচর্যা করা না হয়, ঝড়বৃষ্টি, পশুপাখি থেকে রক্ষা করার জন্যে চারদিকে আগল বা বেড়া দেয়া না হয় তাহলে ঐ গাছটি চারা পর্যায়েই বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যায় বড় করে যদি গাছটিকে পূর্ণাঙ্গ গাছে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে ঐ গাছটি এক সময় ফুল ফল দিয়ে সুশোভিত হয়ে মানুষের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। এক সময় গাছটি মহীরূহে পরিণত হয়ে মানুষকে ছায়া দেয়, পাখ-পাখালিকে আশ্রয় দেয় অর্থাত্ ঐ গাছটি সম্পদে পরিণত হয়। ফ্রয়েবলের Plant-gardener theory অনুযায়ী একটি শিশুকে দেখলে, গাছের মতই যথাযথ পরিচর্যায় শিশুকে তৈরি করতে পারলে, শিক্ষকের সাথে বাবা-মা, ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সমাজের সবাই পরিচর্যায় আগল তথা বেড়া তৈরি করে ঐ সব শিশুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ফলভারে অবনত বৃক্ষের মতই পরিপূর্ণ মানব সম্পদে রূপান্তরিত হয়ে সে দেশের কল্যাণে নিজের অবদান প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

ভাবী নাগরিক বিনির্মাণে করণীয়

0

বীজ থেকে যেমন গাছের সৃষ্টি হয় তেমনি ভ্রূণ থেকে মানব শিশুর সূচনা হয়। সৃষ্টির সব জীবই কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় পৃথিবীর আলো বাতাসের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠে। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হলেও সে সবচেয়ে বেশি অসহায়ত্ব নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। অন্যের অবলম্বন ব্যতিরেকে সে নিজেকে পৃথিবীতে বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে না। পরম মমতা ও যত্নে একটি শিশুকে ধীরে ধীরে বড় করে তুলতে হয়। উপযুক্ত যত্ন ও পরিচর্যাতেই তার যথাযথ বিকাশ ঘটে। শিক্ষাবিদ ফ্রয়েবল শিশুদের চারা গাছের সাথে তুলনা করে চারা রূপ শিশুকে পরিচর্যা করার জন্যে শিক্ষক এবং মা-বাবাকে মালীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে বলেছেন। সত্যিই যদি একটি চারা গাছকে ঠিকভাবে পরিচর্যা করা না হয়, ঝড়বৃষ্টি, পশুপাখি থেকে রক্ষা করার জন্যে চারদিকে আগল বা বেড়া দেয়া না হয় তাহলে ঐ গাছটি চারা পর্যায়েই বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যায় বড় করে যদি গাছটিকে পূর্ণাঙ্গ গাছে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে ঐ গাছটি এক সময় ফুল ফল দিয়ে সুশোভিত হয়ে মানুষের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। এক সময় গাছটি মহীরূহে পরিণত হয়ে মানুষকে ছায়া দেয়, পাখ-পাখালিকে আশ্রয় দেয় অর্থাত্ ঐ গাছটি সম্পদে পরিণত হয়। ফ্রয়েবলের Plant-gardener theory অনুযায়ী একটি শিশুকে দেখলে, গাছের মতই যথাযথ পরিচর্যায় শিশুকে তৈরি করতে পারলে, শিক্ষকের সাথে বাবা-মা, ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সমাজের সবাই পরিচর্যায় আগল তথা বেড়া তৈরি করে ঐ সব শিশুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ফলভারে অবনত বৃক্ষের মতই পরিপূর্ণ মানব সম্পদে রূপান্তরিত হয়ে সে দেশের কল্যাণে নিজের অবদান প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করুন

0

প্রতিবন্ধীদের প্রতি অবহেলা নয়, তাদের প্রতি সব অবস্থাতেই সদয় হতে হবে। উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে মানবতার উৎকৃষ্ট উদাহরণ রাখতে হবে। তাহলে মানবাধিকার রক্ষা হবে, ধর্মের বিধানও মানা হবে। এমন দৃঢ় পদক্ষেপ রাখতে হবে যেন প্রতিবন্ধীরা উন্নয়ন কর্মকা-ের মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে পারে। শুধু প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন করেই সরকারের দায়িত্ব পালন শেষ করলে চলবে না। আইনের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য সবরকম ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখছে কিনা তার প্রতি নজর রাখতে হবে।

কোন দেশ বা সমাজ কতটা কল্যাণকামী তা নির্ধারণের জন্যে যে কয়টি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয় তার অন্যতম একটি হলো মানবাধিকার। রাষ্ট্রের সুশাসনের ব্যারোমিটারও হলো ওই রাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি। এটা সত্যি যে বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়ে আসছে হরহামেশাই। বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনে মানবাধিকারের বিষয়টিকে ব্যাপক গুরুত্ব দেয়া হলেও সে অনুযায়ী সমাজ ও রাষ্ট্রে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাফল্য রয়েছে সেটা বলা যাবে না। সমাজে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনগণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রায়ই।
আজকের এ রচনায় সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত না করে আমি প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিয়ে কথা বলব। বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিয়ে সরকারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন কাজ করে চলেছে। এর ফলে প্রতিবন্ধীরা এখন আগের তুলনায় তাদের অধিকার কিছু বেশি ভোগ করছে। কিন্তু দেশে থাকা প্রতিবন্ধীদের চাহিদা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মনোবেদনার তুলনায় সেটা অনেক কম। তবে আশার কথা হলো বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে বরাবরই সোচ্চার। তিনি উন্নয়ন কর্মকা-ে প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রতিবন্ধীদের ব্যাপারে তার বিশেষ দৃষ্টি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবহেলিত এ গোষ্ঠীকে কতটা এগিয়ে দেবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বাংলাদেশ

0

রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বাংলাদেশ

ভাবী নাগরিক বিনির্মাণে করণীয়

0

বীজ থেকে যেমন গাছের সৃষ্টি হয় তেমনি ভ্রূণ থেকে মানব শিশুর সূচনা হয়। সৃষ্টির সব জীবই কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় পৃথিবীর আলো বাতাসের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠে। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হলেও সে সবচেয়ে বেশি অসহায়ত্ব নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। অন্যের অবলম্বন ব্যতিরেকে সে নিজেকে পৃথিবীতে বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে না। পরম মমতা ও যত্নে একটি শিশুকে ধীরে ধীরে বড় করে তুলতে হয়। উপযুক্ত যত্ন ও পরিচর্যাতেই তার যথাযথ বিকাশ ঘটে। শিক্ষাবিদ ফ্রয়েবল শিশুদের চারা গাছের সাথে তুলনা করে চারা রূপ শিশুকে পরিচর্যা করার জন্যে শিক্ষক এবং মা-বাবাকে মালীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে বলেছেন। সত্যিই যদি একটি চারা গাছকে ঠিকভাবে পরিচর্যা করা না হয়, ঝড়বৃষ্টি, পশুপাখি থেকে রক্ষা করার জন্যে চারদিকে আগল বা বেড়া দেয়া না হয় তাহলে ঐ গাছটি চারা পর্যায়েই বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যায় বড় করে যদি গাছটিকে পূর্ণাঙ্গ গাছে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে ঐ গাছটি এক সময় ফুল ফল দিয়ে সুশোভিত হয়ে মানুষের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। এক সময় গাছটি মহীরূহে পরিণত হয়ে মানুষকে ছায়া দেয়, পাখ-পাখালিকে আশ্রয় দেয় অর্থাত্ ঐ গাছটি সম্পদে পরিণত হয়। ফ্রয়েবলের Plant-gardener theory অনুযায়ী একটি শিশুকে দেখলে, গাছের মতই যথাযথ পরিচর্যায় শিশুকে তৈরি করতে পারলে, শিক্ষকের সাথে বাবা-মা, ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সমাজের সবাই পরিচর্যায় আগল তথা বেড়া তৈরি করে ঐ সব শিশুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ফলভারে অবনত বৃক্ষের মতই পরিপূর্ণ মানব সম্পদে রূপান্তরিত হয়ে সে দেশের কল্যাণে নিজের অবদান প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

Recent News

Popular Posts