Yearly Archives: 2012

ভিন্ন ধারার উত্তরা ইউনিভার্সিটি

0

দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম উত্তরা ইউনিভার্সিটি। এর ভিসি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. এম আজিজুর রহমান এবং প্রো-ভিসির দায়িত্বে আছেন ড. ইয়াসমিন আরা লেখা। ড. ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন এবং ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন সমকালের সঙ্গে_ষআপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলুন।ষষশিক্ষাকে বাণিজ্যনির্ভর নয়, সেবামূলক কার্যক্রমে পরিণত করতে এবং উচ্চশিক্ষাকে সহজলভ্য করে সাশ্রয়ী খরচে মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের লক্ষ্যে উত্তরা ইউনিভার্সিটির পথচলা। উত্তরা ইউনিভার্সিটি তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাদানের মাধ্যমে দেশে কোয়ালিটি এডুকেশন প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে।

ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা

0

অপরাধ ছোট হলেও তাকে অপরাধ বলেই গণ্য করতে হবে। বিশেষ করে ছিনতাইয়ের মতো অপরাধকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না। কারণ এ ধরনের ঘটনায় সমাজের প্রায় সব শ্রেণীর মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আশা করি এখন থেকে আমাদের পুলিশ সদস্যরা ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাগুলোর ব্যাপারে তৎপর হয়ে দেশে ছিনতাই বিরোধী বিপ্লব ঘটাবেন। পুলিশের নতুন বিপ্লবের অপেক্ষায় রয়েছে দেশের ভুক্তভোগী আপামর জনগণ।ড. ইয়াসমীন আরা লেখা কিছুদিন আগে রাজধানীতে সাংবাদিক কাফি কামাল যাত্রীবেশি ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারানোর পাশাপাশি বেধড়ক মারধরের শিকার হন। শহর এলাকায় চলাচলকারী বাসের যাত্রী কাফি কামালসহ আরো কয়েকজনকে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা লাঠি ও ছুরি দিয়ে আঘাত করে এবং চোখে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে চলন্ত বাস থেকে তাদের ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের একাংশকে ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে রহস্য উন্মোচন এবং পুরোদলকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করুন

0

প্রতিবন্ধীদের প্রতি অবহেলা নয়, তাদের প্রতি সব অবস্থাতেই সদয় হতে হবে। উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে মানবতার উৎকৃষ্ট উদাহরণ রাখতে হবে। তাহলে মানবাধিকার রক্ষা হবে, ধর্মের বিধানও মানা হবে। এমন দৃঢ় পদক্ষেপ রাখতে হবে যেন প্রতিবন্ধীরা উন্নয়ন কর্মকা-ের মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে পারে। শুধু প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন করেই সরকারের দায়িত্ব পালন শেষ করলে চলবে না। আইনের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য সবরকম ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখছে কিনা তার প্রতি নজর রাখতে হবে।ড. ইয়াসমীন আরা লেখা কোন দেশ বা সমাজ কতটা কল্যাণকামী তা নির্ধারণের জন্যে যে কয়টি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয় তার অন্যতম একটি হলো মানবাধিকার। রাষ্ট্রের সুশাসনের ব্যারোমিটারও হলো ওই রাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি। এটা সত্যি যে বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়ে আসছে হরহামেশাই। বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনে মানবাধিকারের বিষয়টিকে ব্যাপক গুরুত্ব দেয়া হলেও সে অনুযায়ী সমাজ ও রাষ্ট্রে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাফল্য রয়েছে সেটা বলা যাবে না। সমাজে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনগণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রায়ই।

Recent News

Popular Posts